দ্রবনীয় হবে নাকী অধঃক্ষেপ পড়বে? (চার্ট)
দ্রবণীয়তার নিয়মাবলী
কোন রাসায়নিক যৌগ কখন দ্রবণীয় বা অদ্রবণীয় (অধঃক্ষেপ) হবে, তা নিচে উল্লেখ করা হলো:
- ক্ষার ধাতুর লবণ: ক্ষার ধাতু (যেমন
, , ) এবং অ্যামোনিয়াম ( ) এর লবণ সাধারণত পানিতে দ্রবণীয় হয়। - নাইট্রেট, অ্যাসিটেট ও ক্লোরেট: নাইট্রেট (
), অ্যাসিটেট ( ), ক্লোরেট ( ) এবং পারক্লোরেট ( ) লবণ পানিতে সর্বদাই দ্রবণীয়। - ক্লোরাইড, ব্রোমাইড ও আয়োডাইড: ক্লোরাইড (
), ব্রোমাইড ( ), ও আয়োডাইড ( ) লবণগুলো সাধারণত দ্রবণীয় হয়। তবে সিলভার ( ), লেড ( ) এবং মার্কারি ( ) এর লবণ অদ্রবণীয়। - সিলভার যৌগ: সিলভারের (
) যৌগগুলো সাধারণত অদ্রবণীয় বা পানিতে দ্রবীভূত হয় না। ব্যতিক্রম হলো সিলভার নাইট্রেট ( ) এবং সিলভার অ্যাসিটেট ( )। - সালফেট: সালফেট (
) লবণগুলো পানিতে দ্রবীভূত হয়। তবে ক্যালসিয়াম ( ), স্ট্রনশিয়াম ( ), বেরিয়াম ( ), লেড ( ) এবং সিলভার ( ) এর সালফেট লবণ অদ্রবণীয়। - হাইড্রোক্সাইড: হাইড্রোক্সাইড (
) যৌগগুলো সাধারণত অদ্রবণীয় হয়। তবে, ক্ষার ধাতুগুলোর হাইড্রোক্সাইড দ্রবণীয় এবং ক্ষারীয় মৃত্তিকা ধাতু (যেমন , , , ) এর হাইড্রোক্সাইডগুলো সামান্য পরিমাণে দ্রবণীয় হয়। - সালফাইড: সালফাইড (
) যৌগগুলো অত্যন্ত অদ্রবণীয়। শুধুমাত্র ক্ষার ধাতু এবং ক্ষারীয় মৃত্তিকা ধাতুগুলোর সালফাইড দ্রবণীয় হয়। - কার্বনেট: কার্বনেট (
) যৌগগুলো অদ্রবণীয়। ব্যতিক্রম হলো ক্ষার ধাতু এবং অ্যামোনিয়াম ( ) এর কার্বনেট। - ক্রোমেট: ক্রোমেট (
) যৌগগুলো পানিতে অদ্রবণীয় হয়, কেবল ক্ষার ধাতু এবং অ্যামোনিয়াম ( ) এর ক্রোমেট ছাড়া। - ফসফেট: ফসফেট (
) যৌগগুলো অদ্রবণীয়। তবে ক্ষার ধাতু এবং অ্যামোনিয়াম ( ) এর ফসফেট দ্রবণীয়। - ফ্লুরাইড: ফ্লুরাইড (
) যৌগগুলো সাধারণত অদ্রবণীয় হয়। ব্যতিক্রম হলো ক্ষার ধাতু এবং অ্যামোনিয়াম ( ) এর ফ্লোরাইড।